টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের, ভূমি গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগে থুকড়া বাজারের অবৈধ স্থাপনায় সিলগালা

দৈনিক প্রবাহ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ
স্টাফ রিপোর্টারঃ উচ্ছেদ নোটিশের দু’ মাসেও বাস্তবায়ন হয়নি ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া বাজারে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা। এতে করে সরকার হারাচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব। তিনজন দখলদার দীর্ঘ দিন ধরে তারা সরকারি জমিতে অবৈধভাবে ইমারত নির্মাণ করে তা ভাড়া দিয়ে ভোগ দখল করছে। এমনই সংবাদ দৈনিক প্রবাহ পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন সম্প্রতি ছাপা হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তী গত ১৯ জুন ওই অবৈধ স্থাপনার মালিকদের উচ্ছেদ নোটিশ দেন। তারই জের ধরে সোমবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অপ্রতিম কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের অনুরোধে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের সময় দিয়ে যান। তবে তিনি এই সরকারি জমিতে স্থাপনা ভাড়া নিয়ে ডিজিটাল ভূমি সেবা কেন্দ্র করা হয়েছে। ওই ভূমি সেবা কেন্দ্রটি তালাবদ্ধ করে সীলগালা করেন তিনি। অবৈধ দখলদার সান্টু বিশ্বাস বলেন, অনেক আগেই ২৫নং খতিয়ানের ১৫নং দাগের এই জমি ক্রয় করে তার ওপর স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এ যাবৎকাল কেউ বাঁধা দেয়নি। ভূমি অফিসের কাজ কর্ম করতে পারে এমন একজনের নিকট সম্প্রতি ঘর ভাড়া দেয়ার পর ঝামেলা শুরু হয়েছে। এসিল্যান্ড এসে ওই দোকানটি সিলগালা করেছে বলে তিনি জানান। থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন জানান, “আমি অল্প দিন হয়েছে এখানে বদলী হয়ে এসেছি। নানা কাজের চাপের কারণে এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার সুযোগ পাইনি। তবে বটিয়াঘাটা থেকে গত বৃহস্পতিবার শিশির নামের এক ব্যক্তি তার জমিজমা সংক্রান্তে থুকড়া ভূমি অফিসে আসেন। তিনি অফিসে ভীড় থাকায় বারান্দায় বসে ছিলেন। এ সময় জনৈক জামির তাকে ফুসলিয়ে পাশে এনামুল হক মিথুনের ভুমি সেবাকেন্দ্র নামক দোকানে নিয়ে যান। এ সময় তারা শিশিরের সাথে প্রতারণা করে। প্রতিবাদ করায় হেনেস্তা করে। যা তিনি এসিল্যান্ড-এর নিকট অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযানে আসলে মিথুন পালিয়ে যায়। এসি ল্যান্ড জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে দোকান সিলগালা করেনি। গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা ও হয়রানী করায় দায়ে দোকান সিলগালা করা হয়। তবে দোকান মালিক সান্টু বিশ্বাসকে এসিল্যান্ড বলে গেছেন, ওই ভাড়াটিয়াকে দোকান থেকে নামিয়ে দিলে তিনি দোকানের সিলগালা খুলে দিবেন। এ সময় ওই মিথুনের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী প্রতারণার নানা অভিযোগ এসিল্যান্ডের নিকট করেন।



