পুলিশের ধাওয়া, মুখোশে তিনজনÑমিলল পিস্তল-গুলি-ককটেল

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সন্ধ্যার অন্ধকার নামার আগেই রূপসা সেতুর উত্তর পাশে পুলিশের উপস্থিতি। হঠাৎ একটি মোটরসাইকেলে দ্রুত পালানোর চেষ্টা তিন যুবকের। কারও মাথায় হেলমেট, মুখে মুখোশ; গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা মুখও। সন্দেহ হওয়ায় ধাওয়া দেয় পুলিশ। কিছুদূর যেতেই ধরা পড়ে তিনজন। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি ও তিনটি বোমাসদৃশ ককটেল উদ্ধারের দাবি করে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে রূপসা সেতুর উত্তর পাশে জালাল আহমেদের তুষ-কুড়া মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজন হলেনÑআল আমিন (২৩), রনি মোল্লা ওরফে কসাই রনি (২৮) এবং স্বরন জোমাদ্দার ওরফে সজল জোমাদ্দার (২৬)।
পুলিশ জানায়, রূপসা সেতুর উত্তর পাশে নদীর ঘাটে ইউনুস আলীর মালিকানাধীন একটি সিমেন্ট আনলোডের ঘাট রয়েছে। সেখানে স্থানীয় বি-কোম্পানি ও নুর আজিম বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে কয়েকজন চাঁদা দাবি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন ঘাটের মালিক। ভয়ভীতিও দেখানো হচ্ছিল। এ কারণে মঙ্গলবার ঘাটে সিমেন্ট আনলোডের কাজ বন্ধ রাখা হয়। এই অভিযোগের পর ঘটনাটি যাচাই করতে অভিযান চালায় লবণচরা থানা পুলিশ। সন্ধ্যায় ঘাটসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন দ্রুত সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁদের পরনে হেলমেট ও মুখে মুখোশ ছিল। গামছা দিয়েও মুখ ঢাকা ছিল বলে পুলিশ জানায়। পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে আটক করে। পরে তাঁদের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্রে তল্লাশি চালিয়ে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি এবং তিনটি বোমাসদৃশ ককটেল পাওয়ার দাবি করা হয়। জব্দ করা হয় মোটরসাইকেলটিও। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



