বকেয়া বেতনের দাবিতে ৪র্থ দিনের মত খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কর্ম বিরতি

# জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনায় আবেদন
স্টাফ রিপোর্টর: খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালে গেল ৮ মাস ও চলতি মাস সহ ৯ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে ৪র্থ দিনের মত গতকাল বুধবার কর্মবিরতি পালন করেছে ৮৮ জন আউটসোর্সিং কর্মচারীরা। এ দিকে হাসপাতালটিতে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের কর্মবিরতী থাকায় ভোগান্তি হচ্ছে রোগীদের। বহির্বিভাগে সেবা প্রত্যাশিত রোগীরা পড়ছেন ভোগান্তিতে তৈরি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। অনেকে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। কর্মবিরতির কারণে সেবার মান অর্ধেকে চলে এসছে। প্যাথলজি পরিক্ষার সামনে দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষা থাকার পরও অনেক রোগী ফেরত চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এ দিকে বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য ব্যবস্থা নিতে গেল সোমবার হাসপাতালের পরিচালক ও জেলাপ্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছে এসব কর্মচারীরা। লিখিত আবেদনে উল্লেখ্য করেন হাসপাতালে সকল আউটসোর্সিং কর্মচারীর পক্ষে মোঃ শামিম হাসান। ্আমাদের গেল ৮ মাস ও চলতি সেপ্টম্বর মাস সহ ৯ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। আমরা নিয়মিত হাসপাতালে রোগীদের সেবার কাজে নিয়োজিত আছি। তবে, আমরা কোন বেতন ভাতাদি কিছুই পাইনা। আমারা বেতন-ভাতা প্রাপ্তি প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে জানতে চাইলে আমাদের কে জানানো হয় যে, আউটসোর্সিং কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতাদি প্রদানের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। তোমরা স্ব-স্ব স্থানে কর্মরত থাকো এবং আরও বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার উপর কোন এক ব্যাক্তির কারণে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় তোমাদের বেতন দিতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে অফিসিয়াল ভাবে আমরা চেষ্টা করছি।
অতি দুঃখের সাথে বলতে হয় যে আমরা অসহায় হত দরিদ্র কর্মচারীরা ৮ মাসের বেতন-ভাতাদি না পাওয়াতে আমাদের পরিবার কিভাবে চলবে। মানবিক কারণে কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগকারীদের প্রতিষ্ঠান যৌথ উদ্দোগে চেষ্টা করলে আমরা মনে করি, এই সমস্যার সমাধান অতিসত্তর করা সম্ভব। সবশেষে আমরা উপলব্ধি করছি যে, সকল সমস্যা শুধুমাত্র আমরা হত দরিদ্র আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ভোগ করতে হচ্ছে।এছাড়া অন্য সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর যথাসময়ে সকল বেতন-ভাতা প্রাপ্ত হচ্ছেন। আমরা সব সময়ে রোগীদের সেবামূলক কাজে সেব প্রদান করে আমরা কি? দোষ করেছি।কাজ করছি অথচ সময় মত বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা অপরাধি নয় আপনাদের ভুলের মাসুল দিচ্ছি মাত্র। এভাবে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা চলতে পারে আপনাদের মনে হয়কি?আপনারা আলোচনার মাধ্যমে আমাদের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য সর্বেচ্চ চেষ্টা করবেন।আমাদের দাবি। এর আগে গেল ৩১ শে জুলাই আপনাদের আমরা অবগত করেছিলাম যে ৫ আগস্ট এর মধ্যে বেতন পরিশোধ করতে ব্যার্থ হলে আমরা কর্মসূচি দিতে বাধ্য থাকবো।এমনকি হাসপাতালে জন ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে এর দ্বায়ভার আপনাদের উপর বর্নিত হবে। এরপরও আমরা এক মাস অপেক্ষা করার পর গের দদিন ও গতকাল চার দিন সকাল আটটা থেকে দুপুর বারোটা পযন্ত কর্ম বিরতি চলছে।এরপরও আমাদের সাতে সমাধানের কোন সু-উপদেশ দেয়া হয়নি।আমাদের বেতন পরিশোধ না করলে আন্দল আরও দীর্ঘ হবে। আমাদের জন গনের সেবা থেকে বঞ্চিত করবেননা।এ বিষয়ে হাসপাতালটির পরিচজালক ডাঃ শেখ আব শাহীন বলেন, আমরা এসব কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধের জন্য নিয়মিত চিঠি পাঠিয়েছি সংশ্লিষ্ট উদ্ধতণ কর্তৃপক্ষর নিকট।তবে গেল ৬ আগন্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রানালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ প্রশাসন -১ থেকে সিনিঃ সহকারী সচিব সুজিৎ দেবনাথ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি দেয়া হযেছে। যেখানে উল্ল্যেখ করা হয়েছে ৮৮ জন আউটসোর্সিং কর্মচারী জানয়ারী থেকে জুন পযন্ত সেবা মূল্য পরিশোধের জন্য উচ্চ আদালতের একটি রিট পিটিশনে যার রিট পিটিশন নং -৮৫৮৪/২০২৫ দায়ের করা হয়। রিট পিটিশনসমূহ দ্রুত নিস্পত্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ্যা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।যে কারণে আইনগত ভাবে আমাকে এগাতেহ হচ্ছে।তারপরও আমি চেষ্টা করছি তাদের বেতন পরিশোধের জন্য আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে খুলনা জেলাপ্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহসান বলেন, আমি অফিসের বাহিরে আছি আমার কাছে আবেদন করেছে এ বিষয়ে কিছু জানিনা।আমি অফিসে যে দেখছি। আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।



