খালিশপুর নিউ মার্কেটে ধারালো অস্ত্র নিয়ে যুবকের মহড়া : বিএনপি নেতারা ধরে দিল পুলিশে

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর খালিশপুরে সাবু নামের এক দুর্বৃত্ত প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীদের ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। এমন কি সে বাজার কমিটির সাবেক নেতা উজ্জলকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে এ নেক্কারজনক কাজ করায় ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ তাকে উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে দিয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটেছে খালিশপুর নিউ মার্কেটে। এতে করে ব্যবসায়ীরা চরম আতংকিত হয়ে পড়ে। ওই মার্কেট কমিটির সাবেক সভাপতি উজ্জল বুধবার ১১টার দিকে মাংসপট্টিতে বসে কথা বলছিল। এক পর্যায়ে আ’লীগ নেতা সালেহ আহমেদের ছেলে সাবু ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। উজ্জলকে ধরতে না পারায় সে আরেক মুদি ব্যবসায়ী আবুল কালাম কাজলের দোকানে চড়াও হয়। তাকেও ধারালো অস্ত্র উচু করে ভয়ভীতি দেখায়। এভাবে বাজারের আরো একাধিক ব্যবসায়ীকে ভয় ভীতি দেখায় ও চাঁদা দাবি করে। সে বিএনপির নাম ধরে এমন অপকর্ম করে বলে জানান বাজারের ব্যবসায়ী আবুল কালাম কাজল। এ সময় বাজারের কয়েকশত ক্রেতা ছিল। তারা তার কর্মকান্ড দেখে খুবই ভীত সন্ত্রাস্ত হয়ে পড়ে। পরে বিএনপির নেতারা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে ধরে বৃহস্পতিবার ডিবি পুলিশে দেয় বলে জানান ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, এই সাবু অনেক আগে বিএনপির রাজনীতির সাথে ছিল। বর্তমানে নিস্ক্রিয়। কিন্তু সে বাজার কমিটির সাবেক নেতা উজ্জলের সাথে তর্কবিতর্ক শেষে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাজারে ব্যবসায়ীদের সাথে এমন মহড়া দেবে আর দলের নাম ভাঙ্গাবে তা দলের নেতা কর্মীরা সহ্য করবে না। বিষয়টি জানার পর তাকে খুঁজে বৃহস্পতিবার সকালে উত্তম মাধ্যম দিয়ে ডিবি পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে তিনি জানান। সাবেক নেতা উজ্জল জানান, “আমি বাজারে বসে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে সাবু এসে আমার উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। পরে আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ধাওয়া করে। আমি দৌড়ে কোন রকম রক্ষা পাই। সে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে এ কাজটি করেছে। ৫ আগস্টের আগে সাবু আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল। এখন সে বিএনপির লোক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেয় বলে তিনি জানান।”



