স্থানীয় সংবাদ

নিখোঁজের দু’দিন পর বাড়ী ফিরলো ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী মাহিমা

# অবিভাকদের সচেতন হতে হবে : খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা #

শেখ ফেরদৌস রহমান : সহজলভ্য ইন্টারনেট আর স্মার্ট ফোন এখন হাতের নাগালে। আর অবিভাকদের অসচেতনতার কারণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে টিক-টকের ফাদেঁ পড়ছে শিশুরা। এতে করে একদিকে অবিভাবকরা পড়ছেন দুশ্টিন্তায় ঘটছে ছোট,বড় বিভিন্ন দুর্ঘটনা ।গেল ২৩শে অক্টেবর গোয়ালখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিশু মাহিমা(১৩)।স্কুলে যেয়ে আর ঘরে আসছেনা।দুদিন যাবৎ নিখোজ।এ দিকে নিখোজ শিশুর পিতা-মাতা আত্মীয় স্বজন স্কুল শিক্ষকদের দুশ্চিন্তা কোথায় গেল এই ছোট মেয়েটি মাহিমা।এর খুজে না পাওয়ার পর থানায় নিখোজের সাধারণ ডায়েরী। যার ডায়রী নং ১২৫০।এরপর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করতে শুরু করল মেযেটিকে খুজতে। এরপর ঘটনার তদন্ত করতে যা পাওয়া গেল তা শুনে সকলে হতবাক।ছোট মেয়ে মাহিমা ৫ম শ্রেণীতে পড়া-শুনা করার সময়ে থেকে নাকি স্মার্ট ফোন আর ঘরে সহয লভ্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকায় নিজেই খুলে ফেলেন ফেসবুক,টিক-টক আইডি। সময় পেলে তিনি এই নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করেন এসব নিয়ে। এমনকি শিশুটির পিতা-মাতা ও এসব কর্মকান্ড বিষয়ে আগে থেকেই অবগত ছিল। তবে, কখনও নিষেধ বা এ বিষয়টি বন্ধের জন্য কোন কঠোর ব্যবস্থ্রা নেয়নি। এর পর জানা গেল শিশু মাহিমা নিয়মিত আরিফ নামে এক ছেলের সমাথে মোবাইলে ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট আর টিক-টক ভিডিও আদান প্রদান করত।আর এক পর্যায়ে ছেলেটির, স্কুলের বান্ধবির প্রচোরনায় মেয়েটি স্কুল থেকে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। তবে, খালিশপুর থানা পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিভিন্ন টেকনলজির মাধ্যমে মেযেটিকে সনাক্ত করা চেষ্টা শুরু করে।তবে, কিছু সময পর,পর জায়গা পরিবর্তন হতে থাকায় একটু সময় লাগছিল প্রশাসনের। এক পর্যাযে মেয়েটিকে বাড়ী ফেরত আসতে বাধ্য হয়। মেযেটির পিতা কাজী শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি সকালে কাজে বের হয়ে যায় আর রাত্রে বাড়ী ফেরা হয়। আর ছোট আরও ছেলেমেয়ে আছে আমি কখনও আচ করতে পারিনি। যে এমন একটি ঘটনার স¤œুখিন হতে হবে।তবে, বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলের দাবি। এসব স্মার্র্ট ফোনে আসক্ত থেকে ছেলে মেযেদের রক্ষা করতে হবে। তাদের সাথে সময় দিতে হবে। খেলাধুলা দিকে জোর দেওয়ার নতুন,বই দিতে হবে। বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে। এছাড়া এসব ফোনের অপকারিতা সম্পর্কে ধারণা দিতে হবে।না হলে যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।এ বিষয়ে খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর আতাহার আলী বলেন, এধরনের ঘটনা প্রায় ঘটছে। বিভিন্ন সময় অবিভাকেরা বিপদে পড়ে থানায় আসছে। পুলিশ সব সময়ে জনগনের সাথে আছে। এই মেয়েটির যখন নিখোজ ছিল আমি ডিসি নর্থ তাজুল স্যারে নিদের্শনায় পুলিশের একাধিক টিম নিয়োজিত করি বাচ্চাটিকে উদ্ধারের জন্য। যেন বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। আমরা বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা পাশাপাশি টেকনলজির মাধ্যমে ট্রাকিং করা চেষ্টা করতে থাকি। যে মেয়েটি কার সাথে বেশি চ্যাট করত ইমো নাম্বার সহ বিভিন্ন ভাবে বলতে পারে অন্ধকারে হাতিয়ে পাওয়ার চেষ্টা। একপর্যায়ে মেয়েটি বাড়ী ফিরে আসতে বাধ্য হয়। তবে, আমার একটি বক্তব্য সবার জন্য আপনারা অভিবাবক মহল সচেতন হন। ছেলেমেয়েদের ছেলে মেয়েদের জন্য পরিবার বোর্ড গেম,খেলনা.নতুন বই উপহার দেয়া, বাইরে ঘুরতে যাওয়া, ঘরে ব্যবহারিত স্মার্ট ফোনের শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। এছাড়া খুব জোর করলে রুটিন মাফিক ২০ থেকে ৩০ মিনিট পযন্ত মোবাইলে কার্টুন সহ অন্যান বিনোদন দেখার সুযোগ দেয়া, বারবার মোবাইল এর বিভিন্ন সেটিং,কনন্টে চেক করা ।কড়া নজর রাখা আলোচনা ও আত্ম-অনুশাসন শেখাতে হবে।পাশাপাশি স্বাধিনতা দিতে হবে বাড়ীর বিভিন্ন কাজ দেয়া যেতে পারে। মোট কথা আপনার সচেতনতা থাকতে হবে। শুধু উপার্জনের দিক ব্যস্ত সময় দেয়া যাবেনা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button