খুলনা বিভাগের ৩৭ পৌরসভা ও কেসিসিতে কোভিড রেসপন্স এন্ড রিকোভারি প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ

কর্মশালায় তথ্য প্রকাশ
স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা বিভাগের ৩৭টি পৌরসভা ও কেসিসিতে ‘লোকাল গভার্মেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকোভারি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং তা মোকাবেলার কৌশল সংক্রান্ত কর্মশালা রবিবার দুপুরে খুলনা সিটি কর্পোরেশন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এলজিসিআরআরপি’র প্রকল্প পরিচালক নাজমুস সাদাত মোঃ জিল্লুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ বলেন, লোকাল গভার্মেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স এন্ড রিকোভারি প্রজেক্ট এর উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতি জোরদার করা। একই সঙ্গে মহামারি, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের মানুষের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণে সহযোগিতা করা। কোভিডের সময় প্রচুর মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। আগামীতে এমন পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাই যেন প্রস্তুত থাকতে পারে সে লক্ষ্যে এই প্রকল্প কাজ করে চলেছে। খুলনা বিভাগের ৩৭টি পৌরসভা এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশন এ প্রকল্পের আওতায় আছে।
তিনি প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে বলেন, অপচয় না করে কাজের গতি বৃদ্ধি করতে হবে। খুলনা বিভাগে চলমান প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে ৮৪ শতাংশ। তিনি আশা করেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ প্রকল্পেরকাজ শেষ হবে।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লীপ্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ বাবুল মিঞা, খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান, এলজিডি’র খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মোহাঃ নূরুল ইসলাম, কেসিসির প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খাঁনসহ প্রকল্পের ঢাকা ও খুলনার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। খুলনা বিভাগের ৩৭ টি পৌরসভা ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশ নেন।
কর্মশালা জানানো হয়, করোনা পরবর্তী ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় উল্লেখিত প্রকল্পে কাজ শুরু হয়। যার মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। এ প্রকল্পের আওতায় সড়ক, ড্রেন কালভার্ট, ফুটপাত, মার্কেট, কিচেন মার্কেট ও পাবলিক টয়লেট নির্মাণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম রয়েছে।



