ওষুধ ব্যবসায়ী সাব কমিটি ও প্রধান পৃষ্ঠপোষকদের অবাঞ্চিত ঘোষনা

খবর বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির খুলনা জেলার ৫ টি থানা (খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহানআলী, ফুলতলা ও দিঘলিয়া) বর্তমান বিসিডিএস’র কর্মকর্তাবৃন্দ বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে বিসিডিএস খালিশপুর থানা সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও দৌলতপুর থানা সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমানের সঞ্চলনায় খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে জরুরী সভা আহ্বান করেন। উক্ত, সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সকলের মতামতের ভিত্তিতে খালিশপুর টু ফুলতলা ওষুধ ব্যবসায়ী সাব কমিটি ও তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সোনাডাঙ্গা থানা সহ: সভাপতি এস, এম কবির উদ্দিন বাবলু, ওই কমিটির সভাপতি কাজী নেছার উদ্দিন মন্টু (একজন ক্লিনিক ব্যবসায়ী) ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরাফত হোসেন দ্বয়ের ১৫ বছর পূর্বে গড়ে তোলা অবৈধ সাব কমিটি ও তাদেরকে অনুষ্ঠিতব্য সভা শেষে এক খবর বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নে স্বাক্ষরকারীগণ ৫ থানার খালিশপুর টু ফুলতলা (নাম ধারী কমিটিকে) অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন। খবর বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষরকারীগণ হলেন- বিসিডিএস বর্তমান খুলনা জেলা শাখার পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান, বিসিডিএস বর্তমান কিমিটির দৌলতপুর থানা সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ লিয়াকত হোসেন, সহ-সভাপতি মোঃ সেলিম হোসেন, খালিশপুর থানার সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক এস এম সাইফুর রহমান, খানজাহান আলী থানা কমিটির সভাপতি মোঃ নূরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম কিবরিয়া, ফুলতলা থানা কমিটির সভাপতি প্রেমানন্দসুর পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন মোল্লা, দিঘলিয়া থানা কমিটির সভাপতি মোঃ আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরুল কায়েস। ওই কমিটিকে কেন অবাঞ্চিত ঘোষনা করা হলো তা বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বর্তমান জেলা কমিটির ৫ থানা কমিটির অনুমোদন থাকার পরেও তারা পূর্বের পকেট কমিটিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। বিগত ১৫ বছর ধরে ওই অবৈধ কমিটি কোন নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়নি এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করিনি। তাদের কার্যক্রম ছিল বছর শেষে নামমাত্র কিছু লোকজন নিয়ে বনভোজন করা। তারা বিভিন্ন সময় কেমিস্টদের বিভিন্ন ধরণের আশ্বাস-প্রশ^াস দিয়েও কখনো বাস্তবায়ন করেনি। ৫ থানার কোন নেতৃবৃন্দকে সাথে সঙ্গে না নিয়ে তারা তাদের ইচ্ছা স্বাধীন কার্যক্রম সম্পন্ন করতোসহ বিবিধি কারণে তাদেরকে অনুষ্ঠতব্য সভায় সবার সম্মাতিক্রমে ওই কমিটি ও প্রধান পৃষ্টপোষকদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো।



