স্থানীয় সংবাদ

খুলনায় বিএনপি নেতা আব্বাসের বিরুদ্ধে ছিনতাই’র অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক ও জেলা সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পির পৈতৃক জমি দখলচেষ্টা, চাঁদা দাবি এবং নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার খুলনার বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী ছাত্র নেতা বাপ্পি। মামলায় খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসকে প্রধান আসামী করা হয়েছে। অন্য আসামীরা হলেন জহির (৪২), দ্বীপু ওরফে কাউন্টার দ্বীপু (৪২) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন।
মামলার আরজি অনুযায়ী, গত ২৫ এপ্রিল সকালে কুয়েট রোড এলাকায় বাপ্পিদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় পৈতৃক সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করলে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হানা দেয়। তারা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং কাজ বন্ধ করে দেয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীরা বাপ্পির পিতাকে অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখায় এবং ১নং আসামী আব্বাসের নামে ৩ শতক জমি লিখে দিতে চাপ সৃষ্টি করে। এ সময় তারা বাপ্পির পিতার নিকট থাকা নগদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং পুরো টাকা না দিলে জমিতে আর কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ১নং আসামী আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো সন্ত্রাসী কর্মকা- চালিয়ে আসছেন, যার ফলে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্ম করার দায়ে মহানগর বিএনপি তাকে একাধিকবার শোকজ করেছে এবং বর্তমানেও তিনি শোকজপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছেন। কিন্তু সাংগঠনিক ব্যবস্থা সত্ত্বেও তার অপরাধের প্রবণতা কমেনি।
বাদী সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি আরজিতে উল্লেখ করেন, ঘটনার পর থানায় মামলা করতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়। যার প্রেক্ষিতে তিনি দ-বিধির ৩৮৬/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৭/৩৯৪/৩২৩/৩৯২/৫০৬ ও ৩৪ ধারায় নালিশি আবেদন দাখিল করেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button