কেসিসির মশা মারার ওষুধ জনসম্মুখে পরীক্ষা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কাজে ব্যবহৃত ওষুধ কেনার আগে জনসম্মুখে পরীক্ষা করালেন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সোমবার নগরীর ক্লে রোড গ্যারেজে সাংবাদিকদের সামনে মশার ওষুধে কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় সেই ওষুধ। এখন সেগুলো পরীক্ষার জন্য গবেষণাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসক। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই ওষুধ কেনার চূড়ান্ত নেওয়া হবে। কেসিসি থেকে জানা গেছে, মশক নিধনে কেসিসি দুই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। উড়ন্ত মশা বা বড় মশা মারার জন্য ফগার মেশিনের সাহায্যে ধোয়া ছেটানো হয়। মশার লার্ভা বা ডিম মারার জন্য উন্মুক্ত স্থানে লার্ভি সাইট ব্যবহার করা হয়। আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়টা মশার প্রজনন মৌসুম ধরা হয়। সাধারণত ফেব্রুয়ারি মার্চ ও অক্টোবর-নভেম্বর মাসে মশার উৎপাত বাড়ে। এজন্য বছরে দু’ দফা মশার ওষুধ কেনা হয়। ইতোপূর্বে মশার ওষুধ কেনা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ শোনা যেতো। ওষুধের কার্যকারিতা কম থাকায় প্রায়ই মশার উৎপাতের শিকার হতে হয় নগরবাসীকে। এতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। দায়িত্বগ্রহণের পরই মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নতুন বছরের ওষুধ কেনায় স্বচ্ছতা সৃষ্টিতেও জোর দেন তিনি। তারই অংশ হিসেবে মশার ওষুধ সাংবাদিকদের সামনে পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার সেই ওষুধ পরীক্ষা করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় ওষুধের গুণগত মান ভালো হলে দৃশ্যমান হয়। গবেষণাগারে পরীক্ষার পর সেই ওষুধ ব্যবহারের নির্দেশ দিবেন প্রশাসক। এ ব্যাপারে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মশক নিধন কার্যক্রমের শুরুতেই রয়েছে সঠিক ওষুধ ক্রয় করা। এই কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন ছিল। স্বচ্ছতার জন্য সবার সামনে পরীক্ষা করা হয়েছে। কেসিসির প্রতিটি কাজে এভাবেই নাগরিক অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিরি নির্বাহী প্রধান রাজিব আহমেদ, প্রধান রাজস্ব অফিসার রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মশিউজ্জামান, কনজারভেন্সী অফিসার আনিসুর রহমান ও অহিদুজ্জামান, উপসহকারি প্রক্যৌশলী (যান্ত্রিক) সেলিমুল আজাদ, কেসিসি কর্মচারি ইউনিয়নের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা প্রমূখ।



