অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ ক্ষমতাসিন বিএনপির ও পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে বাগেরহাটে একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজির বিরুদ্ধে প্রতিবেশী শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শারিরিকভাবে অসুস্থ অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক তালুকদার আলতাফ হোসেনের মেয়ে ফারজানা জান্নাত রবিবার সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন ও সংবাদ কমীদের নানা প্রশ্নের জবাবে ফারজানা জান্নাত বলেন, আমার পিতা রামপাল উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক পাশে ওয়ারেসূত্রে, দানপত্র ও কবলা মূলে মালিকানা জমিতে তিনতলা ভবন নির্মান এবং ভবনের সামনের জমিতে ৪টি দোকান সহ ২টি ফ্যামিলি বাসা নির্মান করে ভাড়া দিয়ে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি আমার ছোট কাকা অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুক আমাদের ভবরেন পশ্চিম পাসের উত্তর দক্ষিনে লম্বা অংশ জমি ক্রয় করেন। তিনি ঊক্ত জমি ক্রয় করে আমদের ভোগদখলীয় দোকান ঘর ও ভাড়াটিয়ার ঘর অবৈধভাবে দখলের উদ্দ্যেশে গত ৩১ মার্চ তার নির্দেশে তার সহযোগি শেখ ই¯্রাফিল ও হাওলাদার রফিকুল ইসলাম সহ ১০/১২ জন লোক আমাদের ভাড়াদেয়া দোকান ঘর ভাংচুর শুরু করে। এ সময় আমরা ৯৯৯ নম্বরে কল করলে রামপাল থানার এসআই প্রদীপ কুমার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে এসে হামলাকারীদের সাথে কথা বলে ভাংচুর বন্ধ করতে না বলে থানায় চলে যান। এ ঘটনায় পরের দিন ১ এপ্রিল আমরা রামপাল থানায় এজাহার এবং খুলনা ডিআইজি বরাবর অভিযোগ দাখিল করি। অথচ রামপাল থানা পুলিশ কোন অদৃশ্য কারনে এজাহার বুনিয়াদে কোন তদন্ত বা ব্যবস্থা গ্রহন করে নাই এমনকি ডিআইজি অফিস থেকেও কোন আইনগত প্রতিকার পাই নাই। এ ব্যাপারে আদালতে দায়ের করা মামলায় আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। আসামীরা আদালতের উক্ত নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ অমান্য করে তড়িঘড়ি করে আমাদের ৪টি দোকান ও ২টি বসত ঘর ভেঙ্গে তার সকল মালামাল আত্মসাথ করে এবং সেখানে অবৈধ ভাবে পাকা দেয়াল দিয়ে ঘর তৈরী শুরু করেছে। অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুক এতই প্রভাব প্রতিপত্তি ও ক্ষমতাশালী যে, প্রশাসন সহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিগন তার এই অবৈধ কর্মকান্ড প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা। তারা আমাদের নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা যেকোন মুহুর্তে আমাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির করা সহ যেকোন ধরনে বড় ক্ষতি করতে পারে। আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা এখন আমাদের যাওয়ার মত কোন যায়গা নেই এজন্য আপনাদের স্বরনাপন্ন হয়েছি।



