বকেয়া পরিশোধ ও বন্ধ মিল চালুর দাবিতে ডিসি ও কেসিসি প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান

# নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আশ্বাস : মালিকপক্ষ ও সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন #
স্টাফ রিপোর্টার : খুলনার বেসরকারি পাট, সুতা ও বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারীদের পিএফ, গ্র্যাচুইটিসহ সকল বকেয়া পাওনা পবিত্র ঈদুল আজহার পূর্বেই এককালীন পরিশোধ এবং বন্ধ মিলগুলো চালুর দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। গতকাল (১৭ মে) খুলনা জেলা প্রশাসক ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নিকট এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন ‘বেসরকারি পাট সুতা বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন’-এর নেতৃবৃন্দ। শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছেÑ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা জুট মিলগুলো অবিলম্বে চালু করা, বর্তমানে আংশিক চালু থাকা মিলগুলো পূর্ণরূপে চালু করা এবং উৎসবের আগেই শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া। স্মারকলিপি গ্রহণকালে জেলা প্রশাসক ও কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু শ্রমিক নেতৃবৃন্দের দুঃখ-কষ্ট ও দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথা অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে শোনেন। তিনি শ্রমিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের দাবিগুলো অত্যন্ত ন্যায়সঙ্গত। অতি দ্রুত মালিকপক্ষের সাথে এবং প্রয়োজনে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা আদায় ও মিল চালুর বিষয়ে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”স্মারকলিপি প্রদানকালে শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি গোলাম রসুল খান, সহ-সভাপতি ও সোনালী জুট মিলের সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক শেখ আমজাদ হোসেন এবং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও অ্যাজাক্স জুট মিলের সিবিএ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজি, সহ-সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান, ফেডারেশন নেতা সাংবাদিক মিহির রঞ্জন বিশ্বাস, আইনুদ্দিন, আলী হায়দার, কামাল হোসেন, আসলাম, মারুফ হোসেন, নজরুল ইসলাম, আব্দুল খালেক এবং সোলায়মান শেখ প্রমুখ। নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা না হলে খুলনার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই অনতিবিলম্বে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান চান তারা।



