নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা

# দেশকে পরনির্ভরশীলতা কমাতে হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর বিকল্প নেই #
স্টাফ রিপোটর্চারঃ স্থানীয় টেকসই উন্নয়নঃ প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাবনা এবং আর্থ সামাজিক সমৃদ্ধি অর্জনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভুমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা সোমবার সকালে বাগেরহাট ধানসিড়ি ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সর্ববৃহৎ পরিবেশবাদী সংগঠন জেটনেট বিডি, আইআরভি, আশ বাংলাদেশ, জোয়ার বাংলাদেশ, মংলা নাগরিক সমাজের সহযোগিতায় বাগেরহাট জেলা পরিবেশ সুরক্ষা নাগরিক কমিটি এ সভার আয়োজক। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এড. কুদরত ই খুদা। প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেটহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট পরিবেশ সুরক্ষায় নাগরিক কমিটির সাঃ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান লিটনের উপাস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মোঃ মাহফুজুর রহমান, জেট নেট বিডির ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ, ওজোপাডিকো বাগেরহাট জেলার উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ এরশাদ শেখ, বাগেরহাট সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা একেএম ইকতিয়ার উদ্দিন, এমপির পিএ মোল্লা মাসুদুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন আইআরভির সমন্বয়কারী কাজী জাভেদ খালিদ জয়, একশান এইডের নাজিয়া ইয়াসমিন, এম এ সালাম শেখ, বাগেরহাট পরিবেশ সুরক্ষা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোল্লা নজরুল ইসলাম, মোল্লা মনিরুজ্জামান, মনিন্দ্রনাথ রায়, হাসান মাহমুদ জসিম প্রমূখ। বক্তারা বলেন, শ্রষ্টার সৃষ্টি সূর্য, বাতাস ও নদীর পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরী করে দেশ বাঁচাই ও নিজেরা বাঁচি। এতে দেশের পরিবেশ বাঁচবে। নিজেরা সমৃদ্ধ হতে পারবো। যেখানে নেপাল, ভুটান আজ নবায়নযোগ্য জ্বালানীর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশকে সমৃদ্ধ করে। পর নির্ভরশীলতা কমিয়েছে। সেখানে আমাদের দেশ মাত্র ২ ভাগ জ্বালানী সোলার এনার্জি থেকে পাচ্ছে। এতে করে দেশের জ্বালানী খরচ অনেক বেড়েছে। জ্বালানী আমদানী ব্যয় বৃদ্ধির ফলে দেশ সংকটে পড়তে যাচ্ছে। জীবাশ্মা জ্বালানী থেকে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসতে হবে, সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর উপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে। সরকারকে জাতীয় জ্বালানী রূপান্তর নীতিমালা প্রনয়ণ করতে হবে। ২০৫০ সালের ভিতর নেট জিরো কার্বন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার চেষ্টা করতে হবে। সভায় সোলার এনার্জি ব্যবহারের সুফল নিয়ে একটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।


