মোরেলগঞ্জে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

অনিয়ম দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য বাগেরহাট
আজাদুল হক, বাগেরহাট ।
বাগেরহাট জেলা সদরসহ স্বাস্থ্য বিভাগ অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে শুধু ৪৩ লাখ টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাত, অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে ‘দুর্নীতি বিরোধী জোট, মোরেলগঞ্জ’ নামে একটি সংগঠন। এ সংগঠনের ব্যানারে দুর্নীতিবাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ কামাল হোসেন মুফতির বিচার দাবী করে রবিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়। মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি অভিযোগপত্র বিতরণ করা হয়। এতে দাবি করা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমএসআর (রোগীদের ওষুধপত্র) কেনার জন্য বরাদ্দ ৪৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করে আত্মসাত করা হয়েছে। ওই অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, সরকারি হাসপাতালের রোগীদের অন্যত্র নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা দেওয়া, সরকারি হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, অবৈধ মেডিকেল সার্টিফিকেট দিয়ে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ এবং রোগীদের ব্যক্তিগত ক্লিনিকে পাঠানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে। এ ছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর নেওয়া, স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে আর্থিক অনিয়ম, ঘন ঘন স্টোরকিপার ও প্রধান সহকারী পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রশাসনিক অস্থিরতা সৃষ্টি এবং হাসপাতালে চিকিৎসক ও জনবলসংকট তৈরির অভিযোগও তদন্তের দাবি জানানো হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু রোগীর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচার করা হয়েছে, যার ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এ অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়। অনিয়ম দুর্নীতির কারনে বাগেরহাট সিভিলসার্জন অফিসে অবসরে যাওয়া কর্মচারীদের দাপ্তরিককাজে বহাল রেখেও দুর্নীতি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রেজাউল করিম, মাহমুদা খানম, সাবিনা ইয়াসমিন টুলু, বশির উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও শহিদুল ইসলাম। এ অভিযোগ অস্বীকার করে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।#



