খুলনা অঞ্চলের প্রতিটি আবাসিক এলাকায় পৃথক খেলার মাঠ রাখা বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার

# কেডিএ চেয়ারম্যান এড. মনার সাথে বিসিবি পরিচালক শান্তনু ও তুহিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ’র চেয়ারম্যান এড. এসএম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনা অঞ্চল বরাবরই বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক উর্বর ভূমি। আমাদের এই মাটি থেকে তৈরি হয়েছেন একাধিক জাতীয় অধিনায়ক এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার, যারা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে গর্বিত করেছেন। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-কেডিএ একটি পরিকল্পিত, সবুজ এবং আন্তর্জাতিক মানের নগরায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, একটি পরিকল্পিত শহরের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো আধুনিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ; যার কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছে খেলাধুলা। খুলনা অঞ্চলে নবনির্মিত প্রতিটি আবাসিক এলাকায় পৃথক খেলারমাঠ রাখা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকালে কেডিএ’র সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি’র পরিচালক শান্তনু ইসলাম সুমিত ও মো. শফিকুল আলম তুহিনকে ফুলেল শুভেচ্ছার পর সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়কালে কেডিএ চেয়ারম্যান এড. শফিকুল আলম মনা এসব কথা বলেন। মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, খেলাধুলা তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রেখে একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। বিসিবি’র ক্রিকেট উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং কেডিএ’র নগর মাস্টারপ্ল্যান যদি একসূত্রে গাঁথা যায়, তবে খুলনা কেবল অর্থনৈতিকভাবে নয়, ক্রীড়াক্ষেত্রেও এক মডেল নগরীতে পরিণত হবে। বিসিবি পরিচালক ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন এবং বিসিবি পরিচালক ও দৈনিক লোকসমাজ পত্রিকার সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত বলেন, খুলনার ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর বিশাল সুযোগ রয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে খুলনাকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি প্রধান ক্রীড়া হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, তা নির্ধারণ করার উপযুক্ত সময় এখনই। এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রত্যেক নাগরিকের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন কেডিএ সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, এমএম মাহমুদুর রহমান, রুহুল আমিন কুতুবুদ্দিন আহমাদ, বিসিবি’র কাউন্সিলর চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী (চ. দা.) কাজী মো. সাবিরুল আলম, অথরাইজড অফিসার জিএম মাসুদুর রহমান ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

