কেশবপুরে নিখোঁজের এক বছরেও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ‘মুন্নার’

# ভিকটিমকে ফিরে পেতে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ ও নিখোঁজ জিডি
# অজানা আতঙ্ক ও উৎকন্ঠায় ভিকটিম পরিবার, প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা
স্টাফ রিপোর্টার ঃ যশোর জেলার কেশবপুর থানাধীন চিংড়া, ২ নং সাগরদাঁড়ী ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের একমাত্র পুত্র বুড়িহাটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুন্না (১৭) গত ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ আদায়ের কথা বলে বাড়ী থেকে বের আর বাড়ীতে ফিরে আসেনি। তাকে তার পরিবার সম্ভব্য সকল স্থানসহ আত্বীয়-স্বজনের বাড়ীতে খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যান না পেয়ে অবশেষে পিতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি নিখোঁজ ডায়রী করেন (যার নং- ১০৮২, ২১ অক্টোবর ২০২৫ ইং)। এদিকে, নিখোঁজের প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হতে চললেও তার সন্ধ্যান না পাওয়ায় ভিকটিম পরিবারের চোখে মুখে এখন উৎকন্ঠা ও অজানা আতঙ্কের ছাপ। পুত্র সন্তান নিখোঁজের ঘটনায় শোকাহত পিতা-মাতা, গোটা পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজনেরা। নিখোঁজের সন্ধান পেতে ভিকটিমের পরিবার প্রশাসনের সহযোগীতা ও সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। ভিকটিম পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুন্না (১৭) গত ২০২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ী থেকে এশার নামাজ আদায়ের কথা বলে বাড়ী থেকে বের হয়। নামাজে সময় পার হয়ে গেলেও সে আর বাড়ীতে ফিরে আসে নাই। অতঃপর তাকে সম্ভব্য সকল স্থানসহ আত্বীয়-স্বজনের বাড়ীতে খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যান না পেয়ে অবশেষে তাকে ফিরে পেতে কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি নিখোঁজ ডায়রী করেন করা হয়। তার পরিবারের পক্ষ হতে তাকে ফিরে পেতে স্থানীয়সহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি অব্যহত রাখার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগেরে মাধ্যমে সন্ধ্যানের চেষ্টা অব্যহত রখেছে। নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী মুন্নার গায়ের রং ফর্সা, মুখ-ম-ল লম্বা, উচ্চতা- ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, পড়নে ছাপা লুঙ্গি ও পাঞ্জাবী পরিহিত ছিল, সে আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলতে পারে। এ বিষয়ে নিখোঁজের মা জানান, মুন্না আমার একমাত্র পুত্র। সে হাফেজী পড়া শেষ করেছে। নিখোঁজের ৪/৫ পরই মাদ্রাসা থেকে পাগড়ী পরার কথা ছিল। নিখোজের প্রায় ১ বছর হতে চললো জানি না আমার বুকের মানিক কি অবস্থায় আছে। আত্বীয়-স্বজনের বাড়ীসহ সম্ভব্য সকল স্থান খোজাখুজি করেছি। আমি মা, ও আমার নাড়িচেড়া ধন। আমি আমার একমাত্র সন্তানকে ফিরে পেতে সকলের সহযোগীতা চাইছি। এবিষয়ে কেশবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, মোছা. রোকসানা খাতুন জানান, ভিকটিমের বাবা নিখোঁজের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একটি নিখোঁজ ডায়রী করেন। যখন থানায় এ সংক্রান্তে নিখোঁজ জিডি করা হয়, তখন আমি দায়িত্বে ছিলাম না। সাধারনত নিখোঁজ জিডির ক্ষেত্রে সকল থানা বরাবর বেতার বার্তা পাঠানো হয়ে থাকে। পাশাপাশি তদন্তের কার্যক্রমও চলমান আছে। বিষয়টি অবগত হলাম, দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিকটিমের যে কোনো অবস্থার সন্ধ্যানে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্তের কার্যক্রমটি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।



