থুকড়া বাজারে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা : থানায় জিডি

স্টাফ রিপোর্টার : ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া বাজার এলাকায় দৈনিক কালান্তর ও দৈনিক নিরেপেক্ষ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি প্রবীণ সাংবাদিক শেখ জামিরুল ইসলাম কে মারপিট করে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। ভুক্তভোগী তার জিডিতে উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে বাজারে আসলে ৭/৮ জন দুষ্কৃতিকারী আমাকে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ করতে থাকে। আমি তাদের কাছে গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে কিছু বুঝে ওঠার আগে আমাকে কিল ঘুসি মারতে থাকেন এবং বলেন থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) নিলুফা ইয়াসমিনের নামে তুই নিউজ করিয়েছিস ও সাক্ষী দিয়েছিস কেন তোর অনেক ক্ষমতা হয়েছে। এই কথা বলে মারতে থাকে। অক্টোবর মাসে থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব নিলুফা ইয়াসমিনের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়ে এশিয়ান টেলিভিশন, চ্যানেল ২৪, দৈনিক নিরপেক্ষ, দৈনিক নওরোজ, দৈনিক দেশবার্তা ও দৈনিক খুলনাঞ্চলসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই গণমাধ্যমগুলোতে প্রবীণ সাংবাদিক শেখ জামিরুল সাক্ষাৎকার দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বিবাদীরা থুকড়া বাজারে অবস্থিত জাহিদ ওয়ার্কশপের সামনে অবস্থানকালে থুকড়া এলাকার মৃত্যু দলিল উদ্দিন গাজীর ছেলে মোঃ ফিরোজ গাজী, মৃত্যু করিম গাজীর ছেলে নুরুজ্জামান কিসলু গাজী ও লুৎফর রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর গাজী সহ ৭-৮ জন এসে সাংবাদিক শেখ জামিরুল ইসলামের (৬৮) এর উপর হামলা চালিয়ে কিল ঘুসি, লাথি মেরে আহত করে। এ সময় তার আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা যাওয়ার সময় জামিরুলকে বিভিন্ন গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি প্রদান করে। ভুক্তভোগী জামিরুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিনের হুকুমেই তার ভাড়াটিয়া দালাল ও গুন্ডাবাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করেছে। এ বিষয়ে আমি ডুমুরিয়া থানায় চার জনের নাম উল্লেখ করে সাধারণ ডায়েরি করেছি। জিডি নং ৩১। আমি প্রশাসনের কাছে এই হামলার তদন্তপূর্বক শাস্তির দাবি জানাই। এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানান এই বর্তমান নায়েব যাদরেল প্রকৃতির মানুষ ইতিপূর্বে ও তার নামে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী দিয়ে হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জিডি তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, জিডির তদন্ত অনুমোদনের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আদালত থেকে অনুমতির রিপোর্ট আসলেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



