নিরালা আবাসিকের প্রধান সড়ক ও লবণচরা চত্বর পর্যন্ত এলাকা ঘিরে গড়ে উঠবে খুলনার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা

- কেডিএ’র আগামী বোর্ড মিটিংয়ে নিরালা আবাসিকের ১নং সড়কে আবাসিকের পাশাপাশি মজিদ সরণী সড়কের অনুরূপ বাণিজ্যিক কার্যক্রমেরও অনুমোদনের সিদ্ধান্ত আসছে।
- জিরো পয়েন্টের আদলে দৃষ্টিনন্দন চত্তরে রূপান্তর করা হবে নিরালা ও লবণচরার সংকীর্ণ মোড়কে। এক্ষেত্রে নিরালা চত্বর ২৫০ফুট ও লবণচরা চত্বর ২১৫ ফুট চওড়া হবে
- নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত সংযোগ সড়কের ওপর তৈরি হচ্ছে উড়াল সেতু, প্রকল্পটি শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।
- ময়ূর নদীর শাখা খাল খনন করে নিরালা ১নং সড়কের উপর অবস্থিত ব্রিজের দু’পাশ ঘিরে ওয়াকওয়ে, থিম পার্ক ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা গড়ে উঠার জন্য রয়েছে মাস্টার প্লান।
- কাপড়ের ব্রান্ড শোরুম, ব্যাংক, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও গাড়ির শোরুমের জন্য কেডিএ এভিনিউ ও মজিদ সরণীতে জায়গার সংকট থাকায় এবং সেই সাথে নিরালা সংলগ্ন এলাকাটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
জামান ফকির : নগরীর অন্যতম সুপরিকল্পিত আবাসিক এলাকা নিরালার আংশিক (১ নম্বর সড়ক) বাণিজ্যিক রূপ পাচ্ছে। কারণ খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি প্রকল্পের প্রথম সড়কটি নিরালা মোড় থেকে ১ নম্বর সড়ক হয়ে দিঘির পাশ দিয়ে সিটি বাইপাস সড়কে গিয়ে মিশবে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটি ৬০ ফুট চওড়া এবং চার লেন হবে। যা নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। ফলে এ সড়ক দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল করবে, বাড়বে চাপও। এ অবস্থায় এলাকাটি বাণিজ্যিকীকরণের যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছে।
মূলত : সংযোগ সড়কের প্রভাব, সেবা খাতের বিস্তার, বহুমুখী ব্যবহার, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক চাহিদা, যানজট নিরসন, জমি ও সম্পত্তির মূল্যায়ন এবং নতুন সড়ক অবকাঠামোর মিশ্রণ তৈরি হওয়ায় এ যৌক্তিকতা আরও বেড়েছে। কেডিএ’র আসন্ন বোর্ড সভায় বিষয়টির অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নিরালা আবাসিক এলাকার ভেতরে ২৯টি বড় আর ১৯টি ছোট সড়ক রয়েছে। আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে মহাসড়কের সঙ্গে সংযোগ হওয়ায় আবাসিক এলাকার রূপ হারাবে নিরালা। ৪ লেন দৈর্ঘ্যের সড়কটির নির্মাণ শেষ হলে ওই সড়ক দিয়েই খুলনা-মোংলা মহাসড়কের যানবাহনগুলো শহরে প্রবেশ করবে। ব্যস্ত সড়কে সারাদিনই ভারী যানবাহন চলাচল করবে। সড়কের চাপ অনুযায়ী নিরালা মোড়টি সম্প্রসারণ এবং নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী তৈরি না করলে ওই এলাকায় যানজট বৃদ্ধির আশংকা রয়েছে। মূলত : এ ভাবনা থেকেই উল্লিখিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুসন্ধান বলছে, কেডিএ লিংক রোড প্রকল্পের আওতায় নিরালার ১নম্বর সড়কটি চার লেনের সংযোগ সড়কে রূপান্তর হচ্ছে, যা নিরালা মোড় থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত বিস্তৃত। এই ধরণের প্রশস্ত প্রধান সড়ক স্বভাবতই বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য বেশি উপযোগী।
এদিকে, প্রথমবারের মতো খুলনার সড়কে যুক্ত হচ্ছে উড়ালসেতু। এরই মধ্য দিয়ে নগরীর সড়ক অবকাঠামোয় যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। প্রথমবারের মতো নগরীতে নির্মাণাধীন উড়ালসড়কসহ তিন লিংক রোড প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। ৭১৫ কোটি টাকার এ প্রকল্পের অগ্রগতি ৭০-৭৫ শতাংশ। মহানগরীতে যানজট নিরসন ও চলাচল সহজ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে যানজটের ভোগান্তি কমবে, আশা নগরবাসীর। সব মিলিয়ে খুলনার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি করেছে উড়ালসড়কসহ তিন লিংক রোড প্রকল্প। নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত সংযোগ সড়কের ওপর তৈরি হচ্ছে এই উড়াল সেতু। প্রকল্পটি শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এর আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রায়ের মহল এবং বাস্তহারা পয়েন্ট থেকে পুরাতন সাতক্ষীরা মোড় পর্যন্ত সড়কও প্রশস্তকরণ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় নিরালা আবাসিক এলাকা থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে, যার মাঝামাঝি অংশে থাকছে একটি দৃষ্টিনন্দন উড়ালসেতু। এই অংশের কাজ সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে। একই প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে রায়েরমহল পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেনের সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া বাস্তুহারা এলাকা থেকে পুরাতন সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ তৃতীয় সড়কের কাজও এগিয়ে চলছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া ৭১৫ কোটি টাকার প্রকল্পের তিনটি লিংক রোড চালু হলে নগরীর ভেতরে প্রবেশ ও বের হওয়ার বিকল্প পথ তৈরি হবে। বর্তমানে যেসব ভারী যানবাহন শহরের প্রধান সড়ক ব্যবহার করে যানজট বাড়ায়, তারা সরাসরি সিটি বাইপাস ব্যবহার করতে পারবে। এতে নগরীর অভ্যন্তরীণ সড়কে চাপ কমবে এবং যাতায়াত সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা বলছেন, নতুন সড়ক চালু হলে নিরালা, রায়েরমহল ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে আবাসন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়বে। ইতোমধ্যে কয়েকটি এলাকায় জমির দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও থ্রি-লিংক রোড প্রকল্পের পরিচালক মোরতোজা আল মামুন এ প্রতিবেদককে বলেন, ৩০০ মিটারের ওভারপাস নির্মাণ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পেছালেও নতুন সময়সীমা অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
আরও যেসব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে :
সেবা খাতের বিস্তার : আবাসিক এলাকার ভেতরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান, ব্যাংক, ফার্মেসি, ও ক্লিনিকের মতো দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা সময়ের স্বাভাবিক চাহিদা। ১ নম্বর সড়কটি মূল নিরালার প্রবেশমুখের কাছাকাছি হওয়ায় এটি এই ধরনের সেবা প্রদানে সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করেছে।
বহুমুখী ব্যবহার : শহরের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে অনেক পরিবার আবাসনের পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসায়িক উদ্যোগ বা অফিস স্থাপনে এই সড়কটিকে আদর্শ মনে করছেন।
ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন : সামগ্রিকভাবে খুলনার অন্যান্য এলাকার মতো নিরালাতেও জমির উচ্চ মূল্যের কারণে শুধু আবাসিক হিসেবে ব্যবহার না করে বাণিজ্যিক ও আবাসিক উভয় ধরণের ব্যবহারের (মিক্স) প্রবণতা বাড়ছে।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরা সড়ক ও সিটি বাইপাস সড়কে সংযুক্ত করে সংযোগ সড়কসহ লিংক রোড নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় খুলনায় নতুন তিনটি সড়ক নির্মাণ হচ্ছে। প্রায় ৭১৭ কোটি টাকার এই প্রকল্পের প্রথম সড়কটি নিরালা মোড় থেকে ১ নম্বর সড়ক হয়ে দিঘির পাশ দিয়ে সিটি বাইপাস সড়কে গিয়ে মিশবে। প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটি ৬০ ফুট চওড়া এবং চার লেন হবে। নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা।
সংশ্লিস্টরা বলছেন, নিরালা আবাসিক এলাকার ১নম্বর সড়কটি বাণিজ্যিকীকরণের পেছনে মূলত শহরের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রসার এবং আবাসিক এলাকার কৌশলগত অবস্থান ভূমিকা পালন করে।
কৌশলগত অবস্থান : নিরালা আবাসিক এলাকাটি খুলনা শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল একটি স্থানে অবস্থিত। ১ নম্বর সড়কটি মূল শহরের যাতায়াতের ক্ষেত্রে একটি সংযোগ পথ হিসেবে কাজ করে, যা সহজেই মূল সড়ক বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সাথে যুক্ত।
ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক চাহিদা : নিরালা ও এর আশেপাশের এলাকায় মানুষের বসতি বৃদ্ধির সাথে সাথে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দোকান, ফার্মেসি, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সেবামূলক অফিসের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
যানজট নিরসন ও সুপরিকল্পনা : আবাসিক এলাকায় যত্রতত্র দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে না তুলে বরং একটি নির্দিষ্ট সড়ককে (যেমন ১ নম্বর সড়ক) পরিকল্পিতভাবে বাণিজ্যিক রূপ দিলে এলাকার অভ্যন্তরীণ শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান : বাণিজ্যিকীকরণ স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করে, যার ফলে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হয়।
জমি ও সম্পত্তির মূল্যায়ন : ১ নম্বর সড়কের ভবন বা প্লটগুলো বাণিজ্যিক হিসেবে ব্যবহৃত হলে জমির বাণিজ্যিক মূল্য বৃদ্ধি পায়, যা জমির মালিকদের জন্য আর্থিকভাবে লাভজনক।
বাণিজ্যিকীকরণের যৌক্তিকতা থাকলেও এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর নিয়মনীতি মেনে এটি পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি।
উন্নয়ন কমিটির সভাপতির ভাষ্য :
এ বিষয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান বলেন, যেহেতু নিরালা ১নং সড়ক ইতিমধ্যেই আবাসিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবেও ব্যবহার হচ্ছে। সেখানে অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, যার কোন অনুমোদন নেই। ফলে লিংক রোড চালুর সঙ্গে সঙ্গে এলাকাটিরও বাণিজ্যিক অনুমোদন এখন সময়ের প্রয়োজন। তবে, অবশ্যই সেটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে হতে হবে এবং নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। যাতে করে ওই এলাকার মানুষের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ বজায় থাকে।
কেডিএ কর্তৃপক্ষ যা বলছেন :
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. তানভীর আহমেদ প্রবাহকে বলেন, নিরালা এবং লবণচরা মোড় কার্যকরী করার জন্য থ্রী লিঙ্ক প্রকল্পটি ডিজাইন করা হয়েছে। যেখানে নিরালা মোড় চত্বর সুপ্রশস্থ করা হবে। একইভাবে লবণচরা থানা সংলগ্ন চত্বরটি ২১৫ ফুটের মতো চওড়া করা হবে। উল্লিখিত চত্বরে স্লো মুভিং ভেইকেল (এসএমভি) স্ট্যান্ড সুবিধা, যাত্রী ছাউনি এবং সংযোগ সড়কগুলোর সংযোগস্থল সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া হঠাৎ করে সড়কে অকেজো হওয়া যানবাহন সাময়িকভাবে রাখার ব্যবস্থা, ময়লা আবর্জনা ফেলার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে চত্বর দু’টি দৃষ্টিনন্দন করা হবে। যা শহরের সৌন্দর্যকে কয়েকগুণ বৃদ্ধি করবে। এক্ষেত্রে তিনি সড়ক ও চত্বর সংলগ্ন জায়গার পরিকল্পনামাফিক উন্নয়ন নিশ্চিতের উপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যথায় খুলনা শহরের প্রবেশদ্বার হিসেবে এই রাস্তাটির দুই পাশে অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন হবে। এতে নাগরিক সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে জনসাধারণ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী (চঃদাঃ) কাজী মোঃ সাবিরুল আলম বলেন, নিরালা মোড় এবং লবণচরা থানা সংলগ্ন মোড় সম্প্রসারণের বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা এবং একটি ডিজাইন করা আছে। এখানে দু’টি মোড়ই আরও চওড়া ও আইল্যান্ড হয়ে চত্বর হবে। যেটি অনুমোদনের জন্য আমরা সড়ক বিভাগকে দিয়েছি। সড়ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করেই কাজটা করা হবে।
তিনি বলেন, নিরালা রোডটি ৬০ ফুটের ফোরলেন হচ্ছে। এ কারণে ন্যাচারালি ওটা কমার্শিয়ালি ডেভলপ করবে। সে ক্ষেত্রে আমরা ওখানে মিক্স (বাণিজ্যিক কাম আবাসিক) ব্যবহারের পারমিশন দিয়ে দেব। ওটা রোড হয়ে গেলে আমরা করে দিব। এখানে কেউ ইচ্ছা করলে বাণিজ্যিক বা আবাসিক দু’ ভাবেই ব্যবহার করতে পারবে। এটা আমরা বোর্ড মিটিংয়ে করে দিব। বর্তমান প্রকল্পের মধ্যেই এ পরিকল্পনা অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে কেডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল আলম মনা এ প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে নিরালা মোড় সম্প্রসারণ করার। আগামীতে আমরা এটা বাস্তবায়ন করবো। আর ১নং রোড এলাকা বাণিজ্যিক ঘোষণার বিষয়টিও আমরা চিন্তা-ভাবনা করে ব্যবস্থা নেব। এ বিষয়ে আগামী ১১ জুলাই কেডিএ’র পক্ষ থেকে নগরবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মতামত গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।




