দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে বিএনপি সরকার : প্রধানমন্ত্রী

# যশোরে খাল খনন, ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পাবলিক লাইব্রেরী পরিদর্শন
মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে : বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ২০ কোটি মানুষের কল্যাণে বিএনপির সরকার কাজ করছে। বিএনপি বিশ্বাস করে এই দেশের মানুষের উন্নতি মানেই দেশের উন্নতি। বিএনপি এই দেশের মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত জনগণের সরকার বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ শুরু করেছে। আমরা সেই কাজগুলো করবো যে কাজ গুলোর মাধ্যমে এ দেশের জনগণের উন্নয়ন হবে। সোমবার বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে যশোর জেলা বিএনপির জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে যশোরে জনসভায় জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সরকার পরিচালনার সুযোগ পেয়ে বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরনে কাজ শুরু করেছে। বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার দল। আমরা যা বলি তাই করি। আমরা কথা মালার রাজনীতি করি না। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর শাসনামলে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত ও পরবর্তীতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। আমরা বর্তমানে সরকার পরিচালনার সুযোগ পেয়ে উচ্চ শিক্ষা পর্যায়েও মেয়েদের জন্য বিনামুল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলনের লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা দেশের বেকার সমস্যার সমাধানে কাজ করছি। মেধাবীদের বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি উলাশী খাল (জিয়া খাল) পুনঃখননের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, এই খাল খননের মাধ্যমে দেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব শুরু হবে। এদেশের কৃষকদের কথা ভেবে এবং দেশের জলাবদ্ধতা দূর করতে পর্যায়ক্রমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। বিএনপি যখন তার উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছে, তখনই এক শ্রেণীর মানুষ ভিন্ন ধরনের রাজনীতি নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের ম্যান্ডেট নিয়ে বিএনপি জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করছে। এই চক্রটি বলছে বিএনপি ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে গেছে। কিন্তু কারা ফ্যাসিবাদের দোসর তা দেশের মানুষ জানে। ৫ আগষ্টের পর তারা বলেছিল, আমরা সবাইকে মাফ করে দিলাম। এখন তারাই ফ্যাসিবাদীদের সাথে আঁতাত করে নতুন করে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষের স্বার্থ ও উন্নয়ন। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ সাধারণ মানুষের স্বার্থ সংরক্ষণ করা। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এই যশোরের ৪৮ জনসহ হাজার হাজার মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। আমাদের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর,লাইন ও শব্দ সংসদে বিল আকারে পাস করে তা বাস্তবায়ন করা। আজ যারা জুলাই সনদ নিয়ে মায়া কাঁন্না করছেন তারা ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রধানসহ তার দোসররা পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে মাফ করে দিয়েছিল, তাদের মুখে ফ্যাসিবাদ বিরোধী কথা মানায় না।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া যেমন বলেছিলেন ৯ কোটি মানুষের ১৮ কোটি হাত, আজ বলবো ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত। এই ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে পরিনত করতে হবে। আজ আমরা যেমন শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার কাজ শুরু করেছি। আমাদের মুল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের জনগন। তাইতো আমরা বলি প্রথম বাংলা আমার শেষ বাংলাদেশ। আমরা সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিলেন সেই জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে প্রতিপালন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টানা ২৮ মিনিটের বক্তৃতায় দেশের মানুষের ও দেশের কল্যানে তার সরকারের গৃহিত কর্মসূচী তুলে ধরে তা পর্যায়ক্রমে পূরণের কথা পুনঃব্যক্ত করেন।
বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম তাঁর বক্তৃতায় বলেন, যশোর জেলা বিএনপির ঘাঁটি। বিএনপির জন্মলগ্নে যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল সেই কমিটির যুগ্ম আহবায়ক যে দুইজন নেতাকে করা হয়েছিল তারা দুইজনই এই যশোরের মানুষ। তারা হলেন প্রয়াত আলমগীর সিদ্দিকী ও মরহুম তরিকুল ইসলাম। বিগত স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের শাসনামলেও এই যশোরে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার নানা ষড়যন্ত্র চক্রান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু নেতাদের দৃঢ় চেতনার কারনে এই যশোর থেকে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করা সম্ভব হয়নি। বিগত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গসংগঠনের শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করেএ বিএনপিকে তার লক্ষ্য থেকে একটুও বিচ্যুত করা যায়নি।
বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার বক্তৃতায় বলেন, যশোরের থেমে যাওয়া উন্নয়নের চাকা সচল করতেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী আজ যশোরে এসেছেন। ইতিমধ্যে তিনি তাঁর পিতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত উলাশী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন। তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ বেডের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। তিনি তাঁর প্রয়াত পিতা ও মাতার অসমাপ্ত উন্নয়ন কার্যক্রমের সফল সমাপ্তির জন্য যশোরের মানুষের উন্নয়নে কাজ কে তরান্বিত করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যশোরের ফুল সারাদেশে সুবাস ছড়াচ্ছে। যশোর কৃষি উৎপাদনে সার প্লাস জেলা। যশোর পৌরসভা বৃটিশ ভারতের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা হওয়া সত্বেও সামান্য বৃষ্টিতেই এই শহর প্লাবিত হয়,যা ভাবতেই কষ্ট লাগে। তাই সার্বিক ভাবে যশোরের মানুষের উন্নয়নে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়, একটি সবজি ও ফুল সংরক্ষনাগার, ভবদহ জলাবদ্ধতার নিরসন,বেনাপোল স্থল বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন, যশোর – ঝিনাইদহ সড়ক ও যশোর নড়াইল সড়কের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম,স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম চৌধৃরী,পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ,বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, অমলেন্দু দাস অপু, সাবিরা সুলতানা মুন্নি, মিজানুর রহমান খানসহ জেলা বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ ।
বক্তারা বলেন, এই যশোরে নতুন রাজনীতি, নতুন ধরনের সংস্কৃতি চালুর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশকে নতুন রাষ্ট্রে পরিণত করবেন।
জনসভাটি সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোস্তফা আমির ফয়সাল।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী যদুনাথপুর জিয়া খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন করেন। তিনি নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ঝুঁড়ি বোঝাই করেন এবং তিনি ও অমিত সেই ঝৃুঁড়ি বোঝাই মাটি শ্রমিকের মাথায় তুলে দেন। এখানে এক সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশে প্রধান মন্ত্রী বক্তৃতা করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ বেডের হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করেন। মেডিকেল কলেজের অনুষ্ঠান শেষ করে গাড়ি বহর নিয়ে যশোরে ঐতিহ্যবাহী যশোর ইন্সটিটিউট পাবলিক লাইব্রেরী পরিদর্শনে আসেন। তিনি এ সময় ঘুরে ঘুরে লাইব্রেরীর বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং শত বছরের পুরাতন তালপতায় লেখা স্বচোক্ষে অবলকন করেন। এই প্রথম দেশের কোন সরকার প্রধান শত বছরের ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরীটি পরিদর্শন করলেন। পরে বিকাল ৫ টা ২২ মিনিটে যশোর ঈদগাহ ময়দানে যশোর জেলা বিএনপির জনসভায় যোগদেন। তিনি যশোর সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে জনসভা স্থলে যান এবং জনসভায় ২৮ মিনিট বক্তৃতা করেন।
যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল (জিয়া খাল) পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার ২৭ এপ্রিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে খাল খননের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এ কাজের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন এবং প্রতীকীভাবে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে খাল খননকাজের সূচনা করেন। পাশাপাশি খালের পাড়ে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নারীদের জন্য এলপিজি গ্যাস কার্ড প্রদান, ডিগ্রি পর্যন্ত নারীদের শিক্ষা বিনামূল্যে করা, উলশী খালের ওপর নতুন সেতু নির্মাণ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুল, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আজীজুর রহমান। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে শার্শা ও তার আশপাশ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক ছিল এবং খাল খননে ওই এলাকাসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজার নারী পুরুষ ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ প্রধান মন্ত্রীকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন। প্রধান মন্ত্রী খাল খননের পূর্বে ও পরে এলাকাবাসীর সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ আধুনিক হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন : যশোর ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার ২৭ এপ্রিল দুপুর পৌনে দুই টায় প্রধানমন্ত্রী যশোর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবু হাসনাত মো.আহসান হাবীবসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়ন লক্ষ্যে প্রায় ৬৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এই আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবন নির্মাণের পাশাপাশি চিকিৎসক ও কর্মচারীদের জন্য আবাসন সুবিধা, স্টাফ নার্সদের জন্য পৃথক ডরমেটরি, নার্সিং কলেজ ও হোস্টেল, শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণ করা হবে। এছাড়া একটি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, মসজিদ এবং ৫০০ আসন বিশিষ্ট মিলনায়তন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্প সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায় এবং ২০২৫ সালের জুন মাসে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে কাজের গতি বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে প্রাথমিক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী কাজ করলে ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



