নগরীর ফেরিঘাটে চোরের তথ্য দেয়ার অপবাদ

# নির্যাতনে শিকার হলো মাদক প্রতিরোধ কমিটির নেতা:
# দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া দু’টি মটর সাইকেল জব্দ
স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর ফেরিঘাটে চোরের তথ্য দেয়ার অপবাদে দুর্বৃত্তরা মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে ফেরিঘাট মাদক প্রতিরোধ কমিটির নেতা মোঃ ওলি শেখকে(৪৮)। গত ২৬ আগস্ট সকালে এ ঘটনা ঘটলেও পুলিশের কার্যকরী কোন ভূমিকা নেই। থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও এসআই রোকন সেই অভিযোগ ওসিকে না জানিয়ে নিজ হেফাজতে রেখেছেন। এতে করে দুর্বৃত্তরা আরো বেপরোয়া আচরণে উৎসাহিত হয়েছে বলে ভিকটিমের অভিযোগ। দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, “ ফেরীঘাট ১নং টিনসেড টিনাবস্তির বাসিন্দা শেখ কালুর ছেলেম শেখ ওলি (৫৭)। বিবাদী শেখপাড়ার বাসিন্দা আমির চাঁনের ছেলে শামীম (২৭)সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন দুর্বৃত্ত। গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ টিনাবস্তিতে ফয়সাল নামক এক চোরকে খুঁজিতে যায়। থানা পুলিশ তাকে খুঁজে না পেয়ে ফেরত চলে যায়। আমি নাকি থানা পুলিশকে খবর দিয়ে নিয়ে এসেছি এই মিথ্যা কথা বলে উক্ত বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা আমাকে মারার জন্য আমার উপরোক্ত ঠিকানার বাড়ীতে প্রবেশ করলে আমিসহ আমার পরিবারের লোকজন বাঁচার তাগিদে রুমের ভিতরে প্রবেশ করে রুমের দরজা বন্ধ করে অবস্থান করি। একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন আমাদেরকে উদ্ধার পূর্বক ঘটনার বিষয়টি রাতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে মিমাংসা করবে মর্মে আমাকে আশ্বস্ত করে। একপর্যায়ে ওই দিন বেলা ১২টার দিকে আমি আমার উপরোক্ত ঠিকানার বাড়ী হতে আমার গ্যারেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাহির হয়ে টিনাবন্তি কালুর মুদি দোকানের সামনে পৌছালে উক্ত ১নং বিবাদীসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা আমাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কিলঘুষি, লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নীলাফুলা রক্তাক্ত জখমপ্রাপ্ত করে। এ সময় টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে দুর্বৃত্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে পুলিশ দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত দু’টি মটর সাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। আমি ঘটনাস্থলে আঘাপ্রাপ্ত হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হই।” ভিকটিম জানান, দুর্বৃত্ত শামীমের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। সে অত্র এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছে। তার ভয়ে এলাকাবাসী মুখ খুলতে সাহস পায় না। এ ব্যাপারে ওসির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অবগত নন বলে জানান। কয়েক দিন আগে টিনা বস্তির সামনে আফতাব জমাদ্দারের লোহার গেট চুরি হয়েছে। ওই গেটের সন্ধানে পুলিশ এসে চোর ফয়সালকে খোঁজ করে। কিন্তু তাকে পায়নি পুলিশ। এ বিষয়টি রং লাগিয়ে একটি পক্ষ ওলিকে দোষারোপ করে মারধর করে।



