যশোরে শ্রাবণের প্রথম সপ্তায় অবিরাম বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা : জনমনে দূর্ভোগ

মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে
শ্রাবণের প্রথম সপ্তার ২৪ জুলাই শুক্রবার সকাল থেকে অবিরাম বৃষ্টিতে যশোর শহর ও আশপাশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উপশহর এলাকার অনেক রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চরম বির্পযস্ত হয়ে পড়েছে জন জীবনে। টানা প্রায় ৬ ঘন্টা অবিরাম বৃষ্টিতে যশোর শহরের অনেক এলাকা এবং জেলার নিন্ম অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কাঁচা বাড়ি ঘর ধ্বসে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার ২৪ জুলাই বাংলা ৯ শ্রাবণ সকাল থেকে অবিরাম টানা বৃষ্টিতে যশোর শহরের অনেক নীচু এলাকা যথাযথ পানি নিস্কাশনের অভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। যশোর পৌরসভার বারান্দীপাড়া,সিটি কলেজপাড়া,মোল্লাপাড়া ও তার আশপাশ কয়েকটি স্থানে,শংকরপুর ও তার আশপাশ এলাকার কয়েকস্থানে,বেজপাড়া ফুডগোডাউন ও তার আশপাশ এলাকায়,চাঁচড়া রায়পাড়া,রেলগেট ও তার আশপাশ এলাকার কয়েকটি স্থানে,পুরাতন কসবা কাজীপাড়া ঘোষপাড়া, উপশহর ই ব্লক, উপশহরের সেক্টরসহ আশপাশ এলাকার সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের অভাবে প্রায় কয়েকঘন্টা যাবত সড়ক গুলি পানির নীচে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,উপশহর ই ব্লকের ১নং রোডসহ পূর্ব দিকে সড়ক,উপশহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশ এলাকায় বৃষ্টির পানিতে সড়কগুলি তলিয়ে যায়। চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে পথচারীরা। অবিরাম টানা বৃষ্টিতে নিন্ম আয়ের মানুষেরা চরম বিপদে পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে। সকাল থেকে কাজের সন্ধানে যেতে না পারায় কাজ না হওয়ায় তারা পরিবার নিয়ে অনেকে সকাল থেকে অনাহারে থাকতে হয়েছে। ই ব্লক বাসিন্দারা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন,একটু বৃষ্টি হলে এই এলাকায় পানি নিষ্কাশনের অভাবে ছোটখাটো সড়কগুলি তলিয়ে যায়। চলাচলে সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পাকা সড়ক থাকলেও পথচারীদের পায়ের জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হয়। এই এলাকার বাসিন্দাদের অবিরাম বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তি নেমে আসে। তারা এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতি মন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আশা হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



