সচেতন নারী সমাজের উদ্যোগে’ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

# খানজাহান আলী থানার ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি #
# মাদক সিন্ডিকেট কে রক্ষা করতে গিলাতলায় এলাকাবাসীর ওপর মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খানজাহান আলী থানাধীন গিলাতলা দক্ষিণপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন ও গণআন্দোলন দমন করতে স্থানীয় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার ও খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার কে প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সচেতন নারী সমাজ ও মা-বোনদের উদ্যোগে’ আয়োজিত এই কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন শারমিন আক্তার সোমা। এ সময় বক্তৃতা করেন জলি বেগম, নাজমিন বেগম, নাহার বেগম, ডলি আক্তার প্রমুখ।
বিকাল সাড়ে পাঁচটায় গিলাতলা দক্ষিণপাড়ায় মাদক ব্যবসায়ী শাবানার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে আয়োজিত বিশাল বিক্ষোভ মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বাঁচাতে খানজাহান আলী থানার ওসি মরিয়া হয়ে উঠেছে, তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা ও নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে আসছিলেন ওসি।খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার গিলাতলা দক্ষিণপাড়ার নিরীহ ও আন্দোলনকারী মানুষের বিরুদ্ধে গায়েবি ও মিথ্যা মামলা সাজিয়েছেন।
বক্তারা অনতিবিলম্বে মাদক ব্যবসায়ীদের আশ্রয়দাতা ও মাসোহারা আদায়কারী খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশারকে অবিলম্বে প্রত্যাহারপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ , মাদকবিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত এলাকাবাসীর নামে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেএমপির তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী শাবানা বেগম ও তার পুত্র সাগর দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে গিলাতলা দক্ষিণপাড়া এলাকায় নির্বিঘেœ মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। বর্তমান সরকার গঠনের পর এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ মাদক নির্মূলে সোচ্চার হয়ে নতুন করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। কিন্তু ওসির প্রত্যক্ষ মদদ ও নিষ্ক্রিয়তার কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
নিজেদের ব্যর্থতা ও জনরোষ ঢাকতে পুলিশ উল্টো সরকারি কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের কাল্পনিক ও সাজানো অভিযোগ এনে স্থানীয় সাধারণ মানুষদের আসামি করে গায়েবি মামলা দায়ের করে।
নেতৃবৃন্দের হুঁশিয়ারি:
সমাবেশের সভাপতি শারমিন আক্তার সোমা বলেন, “মাদক ব্যবসায়ীদের রক্ষা করতে পুলিশ প্রশাসন আজ সাধারণ মানুষের ওপর দমনপীড়ন চালাচ্ছে এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। গিলাতলার এই গণআন্দোলন কোনো হুমকি বা গায়েবি মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না।” অনতিবিলম্বে অভিযুক্ত ওসি আবুল বাশারকে প্রত্যাহার করা না হলে এবং সমস্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে আরও কঠোর ও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। একইসঙ্গে গিলাতলা এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে এবং প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় আনতে কে এমপির নবাগত পুলিশ কমিশনারের জরুরি ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।



