বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেলের দাবিতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা

# প্রধান অতিথি : কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল মালেক #
# আসন্ন ঈদের আগেই পে-স্কেল ঘোষণার দাবি বক্তারা #
স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে বৈষম্যমুক্ত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার (৯ মে) বিকালে খুলনা মহানগরীর অভিজাত হোটেল জেলিকোর সেমিনার কক্ষে প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি খুলনা জেলা শাখার সভাপতি সোহানা মির্জার সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোঃ নাজমুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি মোঃ রাসেল আহমেদ শরীফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মোঃ আবদুল মালেক। সভায় প্রধান বক্তার ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শাহাবুদ্দিন মুন্সী শাবু, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাহিন খান, মোঃ রাসেল শেখ,গাজী মুজাহিদুল ইসলাম, মোঃ সাইফুর রহমান সবুজ, মোঃ শাহিন, কবিরুল ইসলাম, কামরুল হাসান, মোঃ মুহসিন ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব শেখ মহিউদ্দিন প্রিন্স। প্রতিনিধি সমাবেশ ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন,‘দীর্ঘদিনেও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জীবনমান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কারণে দীর্ঘ ১১ বছর পে-স্কেল বাস্তবায়ণ না হলেও থেমে নেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয়। তিনি আরো বলেন, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ন চালিকা শক্তি। আমরা কোনো ভিক্ষা চাই না, আমরা কোনো দয়া চাই না। পে-স্কেল হচ্ছে একজন সরকারি চাকুরীজীবির বেতন বৃদ্ধি স¤œান জনক স্বীকৃতি। আমরা এই স¤œান চাই, স্বীকৃতি চাই। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আসন্ন ঈদের আগেই বৈষম্যমুক্ত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। প্রতিনিধি সভায় বক্তরা বলেন, দীর্ঘ ১১ বছরেও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান বেতন কাঠামোর অসামঞ্জস্যের কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তারা। বর্তমান সরকার প্রধানের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট দ্রুত প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ। সভায় শেষে সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি সোহানা মির্জা বলেন, আমরা আমাদের পরিবার, পরিজন সবাইকে নিয়ে স্বচ্ছল ভাবে চলতে চাই, ভালো ভাবে জীবন যাপন করতে চাই। দীর্ঘদিন প্লে-স্কেল বাস্তবায়ণ না হলেও থেমে নেই দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। আমরা দায়িত্বের সাথে রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসাবে অর্পিত সকল কাজ দায়িত্বের সাথে পালন করি। আমারা কোনো দয়া চাই না, পে-স্কেল হচ্ছে আমাদের বেতন বৃদ্ধি স¤œান জনক স্বীকৃতি, এই স্বীকৃতি চাই। বৈষম্যমুক্ত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং বাস্তবায়নে সকল কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনের পাশাপাশি সার্বিক সহযোগীতার জন্য খুলনা জেলা শাখার সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন। সভা শেষে কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. আবদুল মালেক সোহানা মির্জাকে সভাপতি ও মোঃ নাজমুল ইসলামকে মহাসচিব করে ৩ বছরের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন ও ঘোষনা দেন।


